বিদ্যুৎ বিল কমাতে ঘরে বসেই মানুন ৪ সহজ কৌশল

বিদ্যুৎ বিল কমাতে ঘরে বসেই মানুন ৪ সহজ কৌশল
গরমের মৌসুমে এসি, ফ্যান ও ফ্রিজসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যুৎ বিল বাড়ে। তবে অনেক সময় শীতকালেও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বিল আসতে পারে। অপ্রয়োজনে যন্ত্র চালু রাখা, বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী বাতি ব্যবহার এবং ফ্রিজের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না করাসহ নানা কারণে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে।
তবে দৈনন্দিন ব্যবহারে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলেই বিদ্যুতের অপচয় কমানো সম্ভব। প্রয়োজনীয় যন্ত্র ব্যবহার করেও বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করা যেতে পারে।
সাধারণ বাল্বের পরিবর্তে এলইডি ব্যবহার
বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে এমন সাধারণ বাল্বের পরিবর্তে এলইডি বাতি ব্যবহার করা যেতে পারে। কম বিদ্যুৎ খরচে পর্যাপ্ত আলো দেওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে এটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সহায়তা করে।
ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমতে দেবেন না
ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমে গেলে এর স্বাভাবিক শীতলীকরণ কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে এবং বিদ্যুৎ খরচ বাড়তে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজ পরিষ্কার ও ডিফ্রস্ট করা ভালো। একই সঙ্গে গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে না রেখে কিছুটা ঠান্ডা করে রাখলে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয় হতে পারে।
ব্যবহার শেষে যন্ত্রের সুইচ বন্ধ করুন
টেলিভিশন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ কিংবা মোবাইল চার্জার ব্যবহারের পর শুধু রিমোট দিয়ে বন্ধ না করে সম্ভব হলে মূল সুইচ বা পাওয়ার সংযোগও বন্ধ করে দেওয়া উচিত। কারণ কিছু বৈদ্যুতিক যন্ত্র স্ট্যান্ডবাই অবস্থাতেও সামান্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে।
এসি ব্যবহারের সময় দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন
এসি চালানোর সময় ঘরের দরজা-জানালা ও অন্যান্য খোলা জায়গা বন্ধ রাখলে ঠান্ডা বাতাস বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার প্রবণতা কমে। এতে এসিকে তুলনামূলক কম সময় কাজ করতে হয় এবং বিদ্যুৎ খরচও কমতে পারে।
প্রয়োজন না হলে এসির পরিবর্তে সিলিং ফ্যান বা টেবিল ফ্যান ব্যবহার করাও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ভালো উপায়।
আরও যেভাবে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবেন
দিনের বেলায় সম্ভব হলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা, অপ্রয়োজনীয় বাতি-ফ্যান বন্ধ রাখা এবং একই সময়ে প্রয়োজনের বেশি বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু না রাখার অভ্যাস করা উচিত। ছোট ছোট এসব পরিবর্তন নিয়মিতভাবে মেনে চললে মাস শেষে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ও বিল—দুটিই কিছুটা কমানো সম্ভব।



