পায়রা নদীতে নিখোঁজ জুঁইয়ের মরদেহ উদ্ধার, শেষ হলো ৩৩ ঘণ্টার অপেক্ষা

পায়রা নদীতে নিখোঁজ জুঁইয়ের মরদেহ উদ্ধার, শেষ হলো ৩৩ ঘণ্টার অপেক্ষার অবসান
বরগুনা প্রতিনিধি:BNBD NEWS 365
বরগুনায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পায়রা নদীতে নিখোঁজ হওয়া দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জুঁই আক্তারের (১৫) মরদেহ প্রায় ৩৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তালতলী উপজেলার জয়ালভাঙা নলবুনিয়া এলাকায় তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রসংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পান। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জুঁই রাজধানীর মিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং মিরপুর এলাকার বাসিন্দা। পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে এসে রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের লতাকাটা খেয়াঘাট এলাকায় পায়রা নদীর কাছে যায় সে।
স্থানীয় ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, নদীতে থাকা অবস্থায় প্রবল স্রোতের কারণে জুঁই পানিতে তলিয়ে যায়। সে ভালো সাঁতার জানত না বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে উদ্ধারে স্বজন ও স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে চেষ্টা চালালেও সফল হননি।
খবর পেয়ে বরগুনা ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা নদীতে তল্লাশি শুরু করেন। পরে ডুবুরি দলও উদ্ধার অভিযানে যুক্ত হয়। তবে নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও জুঁইয়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৩৩ ঘণ্টা পর সোমবার সন্ধ্যায় তালতলীর জয়ালভাঙা নলবুনিয়া এলাকায় নদীর তীরে জুঁইয়ের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জুঁইয়ের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম নেমে আসে। আনন্দের ভ্রমণে এসে একটি পরিবারের জন্য নেমে আসে অপূরণীয় শোক।


